[পর্ব-১] গোপনে বড় বৌদির সাথে সেক্স করছি – নতুন বাংলা চটি গল্প ২০২৬

আকাশের সাথে তার বড় বৌদি ছোয়ার অবৈধ সম্পর্ক নিয়ে আজকের এই নতুন বাংলা চটি গল্প ২০২৬ সালের! ছোয়া আকাশের চেয়ে ১০ বছরের বড়!

নতুন বাংলা চটি গল্প ২০২৬

রাত প্রায় ২টা বাজে.. বাড়ির সবাই গভীর ঘুমে.. এমন সময় আমার দেবর আকাশ আমার রুমের ভেতরে ঢুকলো!!

আমি জেগে ছিলাম.. চুপচাপ বিছানায় বসে ছিলাম.. এতো রাতে আকাশকে রুমের ভেতরে আসতে দেখেও আমি ওকে কিছুই জিজ্ঞেস করিনি!! ( নতুন বাংলা চটি গল্প ২০২৬ )

আকাশ রুমের ভেতরে ঢুকে রুমের দরজাটা বন্ধ করে দিলো!! এবার আর নিজেকে শান্ত রাখতে পারলাম না.. ওকে জিজ্ঞেস করলাম, “এতো রাতে আমার রুমে এসেছিস.. সেটা নাহয় মেনে নিলাম.. কিন্তু রুমের দরজাটা বন্ধ করার মানে কে??”

আকাশ আমার প্রশ্নের কোনো উত্তর দিলো না.. ও দরজাটা বন্ধ করে বিছানায় আমার পাশে এসে বসলো!!

আমি রাগী রাগী একটা ভাব নিয়ে ওর দিকে তাকিয়ে আছি.. আকাশও অপলক দৃষ্টিতে আমার চোখে চোখ রেখে তাকিয়ে আছে!!

বেশিক্ষন আমি আকাশের দিকে তাকাতে পারলাম না.. ওর থেকে নিজের দৃষ্টি সরিয়ে নিলাম অন্যদিকে.. আকাশ বললো, “তোমার সাথে কিছু কথা ছিলো..”

আমি আবার একটা রাগী রাগী ভাব নিয়ে আকাশের দিকে তাকালাম.. আকাশও আমার চোখে চোখ রেখে তাকিয়ে আছে.. রেগে ওকে জিজ্ঞেস করলাম, “তুই রুমের দরজা বন্ধ করেছিস কোন সাহসে?? কোন সাহসে এতো রাতে আমার রুমে এসেছিস?? এতো সাহস কোথায় পেয়েছি??”

আকাশ মাথা নিচু করে উত্তর দিলো, “বৌদি.. আজ রাতে আমি কি তোমার সাথে তোমার বিছানায় ঘুমানোর একটা সুযোগ পেতে পারি??”

ওর এই কথা শুনে আমার রাগ যেনো আরো দিগুণ হয়ে গেলো!! ওর এতো বড় সাহস!! ও আমার সাথে এক বিছানায় ঘুমাতে চাইছে!! রেগে আগুন হয়ে ওকে বললাম, “তুই এই মুহূর্তে আমার রুম থেকে বের হয়ে যা!! নয়তো আমি চিৎকার করে সবাইকে ডাকবো!!”

আকাশ কিছুটা নির্ভয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বললো, “আমি জানি তুমি এই কাজ করবে না.. আমি জানি তুমিও আমাকে কাছে পেতে চাও!!”

ওর এই কথা শুনে আমি আর নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারছি না!! রাগের মাথায় কিছু করার আগেই আমি বিছানা ছেড়ে উঠে গেলাম..

চুপচাপ রুমের এক কোনায় দাঁড়িয়ে আছি.. ইচ্ছে করছে রুম থেকে বের হয়ে যেতে.. কিন্তু এটা করা ঠিক হবে না!!

আকাশ পেছন থেকে আমাকে জড়িয়ে ধরলো!! জানি না কেনো আমি আকাশকে বাঁধা দিচ্ছি না!! তাহলে কি আকাশ ঠিকই বলেছে?? আমি কি সত্যিই মনে মনে আকাশকে কাছে পেতে চাই!!

আকাশ আমাকে ওর দিকে ঘুরিয়ে নিয়ে আমাকে আরো শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বললো, “তোমাকে আমি আমার হৃদয়ের রানী বানিয়ে রাখবো.. Please আমাকে দূরে ঠেলে দিও না!!”

আমি নিজেকে আকাশের থেকে ছাড়িয়ে নিলাম.. তারপর আবার বিছানায় গিয়ে বসে পরলাম..

আকাশও বিছানায় আমার পাশে এসে বসলো!! আমার পাশে বসে আমার হাতে হাত রেখে বললো, “আমি তোমার সাথে দাদার মতো বেইমানী করবো না.. তোমাকে সত্যিই অনেক ভালোবাসি!!”

আকাশের মুখে ভালোবাসার কথা শুনে আমার ভেতরে কেমন যেনো একটা অনুভূতি হচ্ছে.. আমি বুঝতে পারছি না কি সেই অনুভূতি!!

মনেহচ্ছে আমি আকাশের প্রতি দুর্বল হয়ে পরছি!! না.. না!! এটা আমি কখনো হতে দিবো না!! আমি আকাশের প্রতি দুর্বল হতে পারি না!!

শান্ত ভাবে আকাশকে বুঝিয়ে বললাম, “দেখ আকাশ.. সম্পর্কে আমি তোর বৌদি.. তোর বড় দাদার স্ত্রী.. তাছাড়া তোর সাথে আমার বয়সের পার্থক্য কি তুই জানিস না??”

আকাশ সাথে সাথে উত্তর দিলো, “জানি তো!! তোমার বয়স ৩০ বছর, আর আমার বয়স মাত্র ২০ বছর.. কিন্তু তাতে কি হয়েছে!! নিজের চেয়ে বয়সে বড় মেয়েকে কি বিয়ে করা যায় না??”

আকাশের মুখে বিয়ের কথা শুনে আমি ওর প্রতি আরো বেশি দুর্বল হয়ে যাচ্ছি!! সত্যিই কি ও আমাকে বিয়ে করতে চায়!! ওকে জিজ্ঞেস করলাম, “বিয়ে করা কি এতোই সহজ?? একদিকে যেমন তোর চেয়ে বয়সে বড়.. অন্যদিকে সম্পর্কে তোর বৌদি!!”

আকাশ কিছুক্ষন চুপচাপ বসে রইলো.. কিছুই বললো না.. তারপর আমাকে উদ্দেশ্য করে বললো, “আমার দাদা যে তার বউকে ডিভোর্স দিয়ে দিয়েছে সেটা হয়তো তার বউ জানে না!! তাই আইন অনুযায়ী এখন আর আমার কোনো বৌদি নেই!!”

আকাশের মুখে ডিভোর্সের কথাটা শুনে আমি ভেতরে থেকে ভেঙ্গে পরেছি.. আমার স্বামী নিলয় যে আমাকে ডিভোর্স দিয়েছে সেটা আমি আকাশের মুখেই প্রথম শুনলাম!!

বুকে চাপা কষ্ট নিয়ে আকাশকে জিজ্ঞেস করলাম, “তোর দাদা যে আমাকে ডিভোর্স দিয়ে দিয়েছে সেটা সবাই মিলে আমার কাছে লুকিয়েছিলি কেনো??”

আকাশ শক্ত কন্ঠে উলটো আমাকেই জিজ্ঞেস করলো, “তুমি কি ভেবেছিলে?? দাদা তোমার কাছে ফিরে আসবে??”

আমি আর কোনো উত্তর দিলাম না!! আসলেই তো.. আমার স্বামী তো আমাকে তার জীবন থেকে সেই কবেই বের করে দিয়েছে.. সে যে আমাকে ডিভোর্স দিবে এটাই তো স্বাভাবিক!! আজ না হয় কাল আমাকে যে ডিভোর্স দিতো সেটা আমি আগেই বুঝতে পেরেছিলাম..

নিজেকে শান্ত করে আকাশকে জিজ্ঞেস করলাম, “আচ্ছা আকাশ.. তোর কি মনেহয়?? আমার শ্বশুর শাশুড়ি কি ডিভোর্সের পরেও আমাকে এই বাড়িতে থাকতে দিবেন??”

আকাশ সাথে সাথেই উত্তর দিলো, “বাবা-মা তো তোমাকে নিজের মেয়ের মতো ভালোবাসে!! মা তো বলেছে.. এখন থেকে নিলয় নামে যে তার কোনো ছেলে আছে সে সেটা ভুলে গেছে!! আর বাবা তো তোমাকে এই বাড়িতে নিজের মেয়ের মতো সম্মান দিয়ে রাখতে চায়!!”

আমি বললাম, “তাহলে তো এটা নিশ্চিত যে আমি এই বাড়িতেই থাকছি.. এই বাড়ি ছেড়ে কোথাও যাচ্ছি না.. তাই না?”

আকাশ মুখে হাসি নিয়ে উত্তর দিলো, “অবশ্যই বৌদি!! অবশ্যই তুমি এই বাড়িতেই থাকবে!! বাবা-মা তো এটাই চায়!!”

এবার আমি আকাশের একটু কাছে গিয়ে ওর কানে ফিস ফিস করে বললাম, “এই বাড়িতেই যেহেতু আছি.. তাহলে আর আমাকে বিয়ে করার কি দরকার?? যা করতে চাস সেটা আমাকে বিয়ে না করলেও করতে দেবো!!”

আকাশ কিছুটা মন খারাপ করে বললো, “বৌদি.. তুমি মনেহয় আমাকে খারাপ ভাবছো!! হয়তো ভাবছো আমি তোমাকে কাছে পাওয়ার জন্যই তোমাকে বিয়ে করতে চাইছি!! কিন্তু আসলেই ব্যাপারটা এমন না..”

আকাশের কথা শুনে স্পষ্ট বুঝতে পারছি যে ও সত্যিই আমাকে ভালোবাসে!! ওকে জিজ্ঞেস করলাম, “আচ্ছা.. আমাকে সত্যি করে বল তো.. তুই কবে আর কিভাবে আমার প্রেম পরেছিস??”

আকাশ কিছুটা লজ্জা পেয়ে বললো, “বিয়ের দিন দাদা যখন তোমাকে রেখেই বিদেশে চলে গেলো.. ঠিক তখন থেকেই তোমার জন্য আমার অনেক মায়া লাগতে শুরু করে.. আর এই ৫ বছরে সেই মায়াটা আরো বেড়েছে!! হয়তো সেই মায় থেকেই একটা সময় তোমাকে ভালোবাসে ফেলেছি!!”

আকাশের কথা শুনে পুরানো দিনের কথাগুলো মনে পরে গেলো!! ৫ বছর আগে আকাশের দাদা নিলয়কে বিয়ে করে এই বাড়ির বউ হয়ে এসেছিলাম..

নিলয়ের সাথে আমার বিয়ে হয়েছিলো ঠিকই, কিন্তু আমাদের মধ্যে কখনো স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক ছিলো না.. এক কথায় বলতে গেলে নিলয়ের সাথে এক বিছানায় ঘুমানোর সুযোগ কখনো হয়নি!!

বিয়ের দিন রাতেই নিলয় আমাকে ছেড়ে বিদেশে চলে যায়.. প্রথমে ভেবেছিলাম হয়তো কোনো বিশেষ দরকারে সে বিয়ের দিন রাতেই বিদেশে চলে গেছে.. কিন্তু পরে বুঝতে পারলাম যে নিলয় আমাকে বউ হিসেবে মেনে নিতে পারেনি.. আমার সাথে সংসার করতে চায় না!! তাই বিদেশে চলে গেছে..

তবুও আমি অপেক্ষা করেছি.. ৫ বছর যাবৎ অপেক্ষা করেছি.. কিন্তু এই ৫ বছরে নিলয় একবার ও দেশে আসেনি!!

কিছুদিন আগে জানতে পারি নিলয় বিদেশে বিয়ে করেছে.. সেখানে তার ৬ বছরের একটা মেয়েও আছে!! তার মানে আমি নিলয়ের প্রথম স্ত্রী ছিলাম না.. আমাকে বিয়ে করার আগেই আমার স্বামী নিলয় বিদেশে তার গার্লফ্রেন্ডকে বিয়ে করেছিলো!!

আমার শ্বশুর শাশুড়ি যখন জানতে পারে যে তাদের বড় ছেলে নিলয় বিদেশে বিয়ে করেছে আর সেই সংসারে ৬ বছরের একটা মেয়েও আছে, তখন থেকেই তারা আমাকে নিয়ে চিন্তায় পরে যায়!!

আসলে আমরা ব্যাপারটা একটু অন্যরকম!! আমার শ্বশুরের সাথে আমার বাবার অনেক ভালো বন্ধুত্ব ছিলো!! ছোটবেলায় আমার মা আমাকে আর আমার বাবাকে ছেড়ে তার অফিসের এক সহকর্মীর হাত ধরে পালিয়ে যায়..

মা পালিয়ে যাওয়ার পরে বাবা আবার বিয়ে করে.. স্বাভাবিক ভাবেই আমার সৎ মা আমাকে ভালো চোখে দেখতো না.. আমার খেয়াল রাখতো না..

আমার বিয়ের ব্যাপারেও আমার সৎ মা ছিলো একেবারেই উদাসীন!! তাই তো ২৫ বছর বয়সে আমার বিয়ে হয়!! সেটাও বাবা আমার বিয়ে নিয়ে গুরুত্ব দিয়েছিলো বলেই বিয়েটা হয়েছিলো.. নয়তো এখনো আমি অবিবাহিত ই থাকতাম!!

আগেই বলেছিলাম.. আমার বাবার সাথে আমার শ্বশুরের অনেক ভালো বন্ধুত্ব!! তাছাড়া আমার শ্বশুর ও প্রায় আমাদের বাড়িতে আসা যাওয়া করতেন.. আমাকে তার পছন্দ হয়ে যায়.. তাই তার বড় ছেলে নিলয়ের জন্য আমার বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন..

আমার বাবাও রাজি ছিলো.. নিলয়ের সাথে আমার বিয়েটা হয়ে যায়!! নিলয় অস্ট্রেলিয়াতে একটা ভালো কোম্পানিতে চাকরি করতো.. আমি অনেক খুশি ছিলাম.. কিন্তু আমার খুশি বেশিক্ষন স্থায়ী হয়নি!!

বিয়ের দিন রাতেই নিলয় বললো যে ওর খুব জরুরি কাজ আছে তাই আজকেই ওকে বিদেশের রওনা দিতে হবে!! এমনকি ও আগে থেকেই প্লেনের টিকেট কেটে রেখেছিলো!!

অবশ্যই আমার একটু সন্দেহ হয়েছিলো!! বিয়ের দিন বাসর রাতে বউকে রেখে বিদেশে চলে যাচ্ছে.. তবুও নিজেকে শান্তনা দিয়েছিলাম যে, হয়তো সে কিছুদিন পরেই কাজ শেষ করে ফিরে আসবে.. কিন্তু ৫বছর পার হয়ে গেছে!! সে আর ফিরে আসেনি!!

আমার জন্য চিন্তা করতে করতে আমার বাবাও দুনিয়া ছেড়ে চলে গেছে!! আসলে আমার বিয়েটাই হয়েছিলো অনেক দেরি করে.. ২৫ বছর বয়সে!!

বিয়ের পরে স্বামী ছেড়ে চলে গেছে.. পরে জানতে পারি স্বামী বিদেশে অন্য কারো সাথে ঘর সংসার করছে.. এইসব জানার পরে স্বাভাবিক ভাবেই আমার বাবা অনেক অসুস্থ হয়ে পরে.. আর এক পর্যায়ে সে দুনিয়া ছেড়ে চলে যায়..

আমার সৎ মা কখনো আমাকে জায়গায় দিবে না!! তাই বাবার বাড়িতে ফিরে যাওয়ার ও কোনো সুযোগ নেই!!

আমার শ্বশুর শাশুড়ি অনেক ভালো মানুষ.. তারা সব সময় আমাকে নিজের মেয়ের মতো আদর যত্ন করে..

এদিকে আমার দেবর আকাশ ও আমাকে বিয়ে করতে চায়.. কিন্তু আমি তো জেনে বুঝে আকাশের জীবনটা নষ্ট করতে পারি না!!

আর একটা কথা হয়তো আপনাকে বলা হয়নি.. হয়তো আমার শ্বশুর শাশুড়ি নিজেই চান তার ছোট ছেলে আকাশের সাথে আমার বিয়ে দিতে!! তাদের কথাবার্তা শুনে আমি এটা বুঝতে পেরেছিলাম.. আর আকাশ ও আমাকে বিয়ে করতে রাজি!!

কিন্তু আমি চাই না আমার জন্য আকাশের জীবনটা নষ্ট হোক!! তবে আমি হয়তো অন্যকিছু চাই!! হয়তো আমি চাই গোপনে আকাশের সাথে মেলামেশা করতে!!

৩০ বছর হয়ে গেলো.. এখনো কোনো পুরুষ মানুষের সাথে এক বিছানায় ঘুমানো হয়নি!! আমিও তো মানুষ!! আমার ও তো কিছু চাহিদা আছে!!

জানি না আমার প্রস্তাবে আকাশ রাজি হবে কিনা!! হয়তো চেষ্টা করলে রাজি হবে!!

বসে বসে যখন পুরানো দিনের কথাগুলো ভাবছি.. অথচো আকাশ যে আমার রুমে আমার সাথেই আছে সেটাই ভুলে গিয়েছিলাম!!

আকাশ ও আমাকে বিরক্ত করেনি.. চুপচাপ আমার পাশেই বসে ছিলো!! ওকে বললাম, “উফ!! আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম তুই যে আমার সাথেই আছিস!! আসলে এই ৫ বছর যাবৎ একা একা থাকতে থাকতে অভ্যাস হয়ে গেছে!!”

আকাশ মুচকি হেসে বললো, “বৌদি.. তুমি দেখতে কিন্তু অনেক সুন্দরী.. তাছাড়া তোমার বয়স যে ৩০ বছর ছুঁয়েছে সেটা বোঝাই যায় না!!”

ওর কথা শুনে অনেক হাসি পাচ্ছে.. কিন্তু এতো রাতে তো জোরে জোরে হাসাহাসি করা যাবে না.. তাই মুখ চেপে ধরে কিছুক্ষন হেসে নিলাম!! তারপর ওকে বললাম, “হয়েছে.. হয়েছে.. আমাকে আর লাইন মারতে হবে না!! আমি এমনিতেই পটে গেছি.. আর পটানোর দরকার নেই!!”

আমার কথা শুনে আকাশ বেশ লজ্জা পেলো.. লজ্জায় লাল হয়ে গেছে!!

এর মধ্যে আমিও একটা বিরাট কান্ড ঘটিয়ে ফেললাম!! আমি আকাশের কোলে গিয়ে বসলাম!! আমি ওর কোলে গিয়ে বসাতে ও তো আরো বেশি লজ্জা পাচ্ছে!! সেই সাথে অনেক অবাক ও হয়েছে!!

ও অবাক হয়ে আমাকে জিজ্ঞেস করলো, “বৌদি.. বাবা মা যদি দেখে ফেলে আমাদের!! তাহলে কি হবে!!”

আমি হাসতে হাসতে ওকে বললাম, “আরে গাধা!! রুমের দরজা তো তুই বন্ধ করেই রেখেছিস!! তাহলে দেখবে কিভাবে??”

আকাশ আর কিছুই বললো না.. চুপচাপ নিচের দিকে তাকিয়ে আছে.. ওকে বললাম, “অনেক তো অপেক্ষা করলাম তোর দাদার জন্য.. তোর দাদা তো আর এলো না!! মনেহচ্ছে এখন থেকে প্রতি রাতে তোকে দিয়েই আমার সব চাহিদা পূরণ করতে হবে!!”

আমার এই কথা শুনে আকাশ ও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললো!! আরে আমি তো অনেক আগেই সীমা অতিক্রম করে ফেলেছি!!

আকাশ শক্ত করে আমাকে জড়িয়ে ধরলো!! আমিও আকাশকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে ফুফিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বললাম, “আমি যে আর পারছি না রে আকাশ!! আমার আর যাওয়ার কোনো জায়গা নেই!! তুই কি আমাকে একটু ভালোবাসা দিবি আকাশ??”

আকাশ আমাকে আরো শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো.. ও মুখে কিছুই বলছে না.. কিন্তু ওর মনের কথা আমি বুঝতে পারছি!! ৫টা বছর ও নিজের চোখে দেখেছে আমার প্রতি মুহূর্তে কতোটা কষ্টে কেটেছে!! ও আমাকে আর কষ্ট দিতে চায় না!!

আমাকে সুখি করার জন্য ও সবকিছু করতে রাজি!! আমি জানি আমরা দুজনেই সীমা অতিক্রম করছি!! কিন্তু আমি যে নিরুপায়!! নিয়মের মধ্যে থেকে আমি যে আর বাঁচতে পারছি না!!

২য় পর্ব খুব তাড়াতাড়ি আসছে!!

গল্পের চরিত্র:

ছোয়া (আকাশের বড় ভাইয়ের বউ, বয়স ৩০ বছর)

আকাশ (ছোয়ার স্বামীর ছোট ভাই, বয়স ২০ বছর)

নিলয় (ছোয়ার স্বামী এবং আকাশের বড় দাদা, বয়স ৩৫ বছর)